ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) গেলে ডাউন*লোড এবং রিইস্যু করার নতুন নিয়ম

ভোটার আইডি কার্ড / জাতীয় পরিচয়পত্র অসাবধানতার কারণে বিভিন্ন সময়ে ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) গেলে ডাউনলোড এবং রিইস্যু করতে হতে পারে। যেহেতু, ভোটার আইডি কার্ড / জাতীয় পরিচয়পত্র হলো বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের ইউনিক পরিচয়পত্র। ভোটার আইডি কার্ডটি হারিয়ে গেলে অনেক মহাবিপদে পড়তে হয়। কারণ, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র / ভোটার আইডি কার্ড খুব দরকার। প্রত্যেকটি সরকারি / বেসরকারি কাজ করতে হলে শুরুতে পরিচয়পত্র হিসেবে ভোটার আইডি কার্ড / জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করতে হয়। সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অরিজিনাল জাতীয় পরিচয়পত্রে দরকার পরে। বিভিন্ন স্থানে ভোটার আইডি কার্ড বহন করার ফলে জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে (NID Card Lost) যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই আজকের অনুচ্ছেদে আমরা জানবো ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) গেলে ডাউনলোড এবং রিইস্যু করার নতুন নিয়ম সম্পর্কে।

আপনি কি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র / ভোটার আইডি কার্ডটি হারিয়ে ফেলেছেন? মাত্র ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করে ঘরে বসেই আপনার হারানো জাতীয় পরিচয়পত্রটি নতুন করে ডাউনলোড এবং রিইস্যু করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) গেলে ডাউন*লোড এবং রিইস্যু করার নতুন নিয়ম

হারানো ভোটার আইডি কার্ড ফেরত পাওয়া অনেক সহজ। কিন্তু আপনি আপনার হারানো কার্ডটি ফেরত নাও পেতে পারেন তবে অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে আপনি আপনার হারানো ভোটার আইডি কার্ড / জাতীয় পরিচয়পত্রটি ডাউন*লোড এবং রিইস্যু করে নিতে পারবেন।

বর্তমানে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের অরিজিনাল কপি পিডিএফ ফরম্যাটে খুব সহজেই অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারে। তবে ডাউন*লোড করার জন্য কোনো ফি প্রদান করতে হবে না।

যেহেতু, জাতীয় পরিচয়পত্র / ভোটার আইডি কার্ড খুব দরকারি একটি পরিচয়পত্র তাই এই পত্রটি আমাদের কাছে থাকা খুব দরকারি। প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি কাজে এই কার্ডের খুব দরকার পড়ে। তাই এই আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি পিডিএফ ফরম্যাটে ডাউন*লোড করে নিতে পারবেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে এনআইডি উইং এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে।

See also  জানুন NID Wallet কি?NID Wallet ব্যবহার করার নিয়ম ২০২৩

যদি আপনি অনলাইন থেকে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউন*লোড করে থাকেন, আপনার কাছে ডাউন*লোড করা PDF ফাইল থেকে পুনরায় প্রিন্ট করে আপনার কাছে রেখে দিতে পারেন।

তবে আপনি যদি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রটি হারিয়ে যাওয়ার পর রিইস্যু করতে চান, তাহলে আপনাকে ২৩০ টাকা ফি দিয়ে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্র রিইস্যুর জন্য আবেদন করতে হবে।

ইতিমধ্যে আপনি যদি স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে ফিসের পরিমাণ বাড়তে পারে।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) গেলে রিইস্যু করার নতুন নিয়ম

জাতীয় পরিচয়পত্র / ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) গেলে ফেরত পাওয়ার দুইটি উপায় আছে। যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি আপনার কার্ডটি পেয়ে থাকেন। উনি যদি সেই জাতীয় পরিচয়পত্রটি নিকটস্থ ডাকবিভাগে জমা দেয়।

হারিয়ে যাওয়া কার্ড ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে কেননা অনেক মানুষ এসব কাজ থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করে। হারিয়ে যাওয়া কার্ডটি ফেরত না পেলেও আপনি অনলাইন থেকে রিইস্যুর জন্য আবেদন করে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফিস/চার্জ দিয়ে নতুন আরও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে পারেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র / ভোটার আইডি কার্ড রিইস্যুর জন্য যে স্থানে হারিয়েছেন সে স্থানের নিকটস্থ থানায় জিডি (সাধারণ ডায়েরী) করতে হবে। সেই জিডির (সাধারণ ডায়েরী) কপি অনলাইনে আবেদন করার সময় সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) গেলে কিভাবে রিইস্যু করতে হয় তার ধাপসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো।

ধাপ ১ঃ নিকটস্থ থানায় জিডি (সাধারণ ডায়েরী)

আপনার যদি জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে যায় তাহলে ভোটার আইডি কার্ড রিইস্যু করার জন্য আপনাকে নিকটস্থ থানায় একটি লিখিত জিডি (সাধারণ ডায়েরি) জমা দিতে হবে। সেই জিডি / সাধারণ ডায়েরিতে সকল তথ্য থাকবে। আপনি কোথায় এবং কিভাবে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রটি হারিয়েছেন।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) গেলে কিভাবে রিইস্যু করতে এটাই হচ্ছে প্রথম পদক্ষেপ। তাছাড়া যদি সম্ভব হয় আপনি অনলাইনের মাধ্যমেও জিডির / সাধারণ ডায়েরির জন্য আবেদন করতে পারবেন। নিচের লিংকে আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোর জন্য জিডি লেখার নিয়ম জানতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে জিডি / সাধারণ ডায়েরি করতে কোন সমস্যা হলে আপনি নিচের লিংকে সাধারণ ডায়েরি করার একটি ডকুমেন্ট পাবেন। এই ডকুমেন্টে আপনাদের উদাহরণ হিসেবে একটি সাধারণ ডায়েরি আবেদনের একটি নমুনা দেখানো হয়েছে।

আপনার জিডি / সাধারণ ডায়েরি থানা কর্তৃক গৃহীত হলে, আপনাকে জিডি গ্রহণকারী পুলিশ অফিসারের নাম ও ফোন নম্বর সংগ্রহ করে রাখতে হবে। আপনি যখন রিইস্যুর জন্য অনলাইনে আবেদন করবেন তখন সেটা দরকার লাগবে।

See also  নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র (NID Card) রেজিষ্ট্রেশন করার পদ্ধতি

ধাপ ২ঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের NID Wing এ রেজিস্ট্রেশন

নিকটস্থ থানায় জিডি / সাধারণ ডায়েরী করার পর আপনাকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র সেবার ওয়েবসাইট থেকে NID Wing সাব-ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বার দিয়ে একটি একাউন্ট তৈরি করতে হবে।

নিচের বাটনে একটি লিংক পাবেন যেখানে আপনি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের NID Wing এ রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। সকল প্রক্রিয়াসমূহ নিচের লিংকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

আপনি যদি পূর্বে NID Wing এ একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করা থাকে। সেখানে যদি আপনি ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড সেটআপ করে থাকেন, তাহলে সেই ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনি আপনার প্রোফাইলে লগ ইন করতে পারবেন। পার্সওয়ার্ড ভুলে গেলে, পুনরায় রিসেট করতে পারেন।

ধাপ ৩ঃ জাতীয় পরিচয়পত্র রিইস্যুর জন্য আবেদন

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) গেলে কিভাবে রিইস্যু করতে ৩য় ধাপের শুরুতে আপনাকে অবশ্যই NID Wing এ একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করা থাকতে হবে। তারপর আপনাকে ঐ একাউন্টে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলে নিচের মতো পিক দেখবে।

উপরিউক্ত ছবিতে আপনারা মার্ক করা সর্বমোট ৮টি অপশন দেখতে পাচ্ছেন। এই ৮টি অপশনের মধ্যে ৬নং অপশনটি ব্যবহার করা হয় জাতীয় পরিচয়পত্র / ভোটার আইডি কার্ড রিইস্যু করার জন্য।

যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) যায়, তাহলে এই অপশনে ক্লিক করলে আপনি নতুন জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

“রিইস্যু” বাটনে ক্লিক করলে নিচের মতো একটা ইন্টারফেস আসবে। এই ছবির ইন্টারফেসে দেখতে পাচ্ছেন উপরের বাম পাশে “বাতিল এবং সম্পাদন করুন” নামে একটি বাটন।

এই ওয়েবপেজের নিচের দিকে দেখতে পাবেন রিইস্যুর জন্য কিছু তথ্য যেখানে আপনাকে জিডির নং, থানার নাম, পুলিশ অফিসারের নাম, পুলিশ অফিসারের পদবী, এবং জিডির তারিখ লাগবে।

তারপর রিইস্যু জন্য “বাতিল এবং সম্পাদন করুন” অপশনে ক্লিক করলে একটি নতুন ইন্টারফেস আসবে, যেখানে আপনাকে ফিস/চার্জ সম্পর্কে অবহিত করবে।

আপনি যদি রিইস্যু করতে চান তাহলে “বহাল” বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী ওয়েবপেজে যেতে হবে। তারপর আপনার কম্পিউটারের সামনে নিচের ইন্টারফেসটি আসবে।

এই ইন্টারফেস জিডির নং, থানার নাম, পুলিশ অফিসারের নাম, পুলিশ অফিসারের পদবী, এবং জিডির তারিখ অপশনগুলো এডিট করার জন্য অপশন চালু হয়ে যাবে। পাশের “স্টারমার্ক “ সিলেক্ট করে বাকি গুলো পূরণ করে নেন।

See also  যারা এখনো স্মার্ট কার্ড পাননি তারা জেনে নিন কখন কিভাবে পাবেন

জিডির নং, থানার নাম, পুলিশ অফিসারের নাম, পুলিশ অফিসারের পদবী, এবং জিডির তারিখ ইত্যাদি বসানোর পর পরবর্তী বাটনে ক্লিক করলে ট্রানজেকশন অপশনে চলে যাবে। এই ট্রানজেকশনটি বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে কমপ্লিট করতে পারবেন।

উপরের লিংকে আপনাকে দেখানো হয়েছে কিভাবে আপনি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য ফিস/চার্জ প্রদান করতে পারবেন। বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা প্রদান করার ৩০মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

আপনার প্রদানকৃত ফিস/চার্জ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের NID Wing এ চলে আসলে ট্রানজেকশন শেষ করবেন। তারপর পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র/কাগজপত্র ছবি তুলে আপলোড করার পর নিশ্চিত করতে হবে।

নিচের ছবিতে আপনাদের দেখানো হয়েছে কিভাবে আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) যাওয়ার পর রিইস্যুর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

হারানো জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID Card Lost) জিডির কপি আপলোড করা হলে, আপনার আবেদটি সাবমিট করুন। আশা করা যায় ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আপনার আবেদনটি অনুমোদিত (Approved) হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোর পর রিইস্যুর আবেদন ফিস/চার্জ কত?

আপনি যদি জাতীয় পরিচয় পত্রে কোনো সংশোধন করতে চান, তাহলে আপনাকে সংশোধনের জন্য অবশ্যই ফি দিতে হবে। বিভিন্ন প্রকারের সংশোধনের জন্য বিভিন্ন রকম ফি ধার্য করা হয়েছে।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) যাওয়ার পর রিইস্যুর জন্য অবশ্যই একটা ফি ধার্য করা হয়েছে। আপনি যদি রিইস্যু ( Duplicate Regular) জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে আপনাকে ৩৪৫ টাকা ফিস/চার্জ দিতে হবে। আর যদি আপনি রিইস্যু জরুরী ( Duplicate Urgent) জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে ৫৭৫ টাকা ফিস/চার্জ হিসেবে প্রদান করতে হবে।

সংশোধনের ধরণফি’র পরিমাণ
এনআইডির তথ্য সংশোধন ( NID Info Correction)২৩০ টাকা
অন্যান্য তথ্য সংশোধন (Other Info Correction)১১৫ টাকা
উভয় তথ্য সংশোধন (Both Info Correction)৩৪৫ টাকা
রিইস্যু ( Duplicate Regular)৩৪৫ টাকা
রিইস্যু জরুরী ( Duplicate Urgent)৫৭৫ টাকা
টেবিলঃ জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফি

জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করুন

আপনি যখন জাতীয় পরিচয়পত্র রিইস্যু করবেন, তখন আপনি যদি লগ ইন অবস্থায় তাহলে আপনি খুব সহজে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র পিডিএস ফরম্যাটে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র / ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে (NID Card Lost) যাওয়ার পর ডাউনলোড করতে চাইলে আপনার প্রোফাইলে গিয়ে নিচের মতো অপশন পাবেন। এই অপশনের সবার নিচে রয়েছে “ডাউনলোড” অপশনটি।

আপনি ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলেই আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রটি ডাউনলোড হওয়া শুরু হয়ে যাবে। এই কার্ডটি কোনো প্রিন্ট করা যায় এমন দোকানে গেলে জাতীয় পরিচয়পত্রটির হার্ডকপি নিয়ে বেড়াতে পারবেন। তবে ভোটার আইডি কার্ড প্রিন্ট করার পর লেমিনেটিং করে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে কি করব?

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে যে স্থানে হারিয়েছে সে স্থানের নিকটস্ত থানায় একটি জিডি / সাধারণ ডায়েরি করতে হবে। তারপর ভোটার আইডি কার্ড রিইস্যুর জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে কিভাবে উঠাতে হয় ?

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে যে স্থানে হারিয়েছে সে স্থানের নিকটস্ত থানায় একটি জিডি / সাধারণ ডায়েরি করতে হবে। তারপর সেই জিডির কপি নিয়ে ছবি তুলে আপলোড করে অনলাইনে আইডি কার্ড রিইস্যুর আবেদন করতে হবে।

About nidgov

আমি গত ৫ বছর থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কাজ করেছি। আমি আমার স্নাতক শেষ করেছি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। আমার বিষয় ছিলো কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং (ইঞ্জি.)।

View all posts by nidgov →