অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড ( NID Card Download ) করুন খুব সহজেই

অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড ( NID Card Download ) করতে এই অনুচ্ছেদটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। জাতীয় পরিচয় পত্র ( NID Card) প্রতিটি মানুষের জন্য খুব দরকারী একটা কার্ড। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে দরকারী এই কার্ডটিকে অনেক সময় ভোটার আইডি কার্ড বলে থাকে। কিন্তু NID Card বা জাতীয় পরিচয় পত্রটি ভোটার আইডি কার্ড বলেনা। আপনি যখন ১৬ বছর বয়স পার করবেন তখন আপনি NID Card Registration  বা জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধনের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। তারপর আপনার বয়স যখন ১৮ বছর হবে তখন আপনি আপনার এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম আসলে আপনি ভোট দেওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন।

যদি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র বা NID Card Online এ আবেদন করার পরও ভোটার তালিকায় নাম না আসে তাহলে আপনাকে আপনার উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে খোঁজ খবর নিতে হবে। কিভাবে অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড ( NID Card Download Online) করবো? এই অনুচ্ছেদে আপনাকে খুব সহজেই বুঝিয়ে দেবো যাতে করে আপনি আপনার সাথে সাথে আপনার পরিবারের বা অন্যজনের জন্য অনলাইন থেকে এনআইডি কার্ড ডাউনলোড বা জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করে নিতে পারেন খুব সহজেই। 

শিরোনামঃ

কিভাবে আপনি অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড ( NID Card Download ) করুন খুব সহজেই?

অনলাইন থেকে ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করতে আপনাকে অবশ্যই আগে জাতীয় পরিচয় পত্র রেজিষ্ট্রেশন (National Identification Card) করতে হবে। আপনি অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন না করলে আপনি কখনোই এনআইডি কার্ড ডাউনলোড বা NID Card Download করতে পারবেন না। আপনি যদি জাতীয় পরিচয় পত্র রেজিষ্ট্রেশন না করে থাকেন, তাহলে আপনাকে অবশ্যই অনলাইনে আপনি খুব সহজেই অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন। 

See also  আপনার NID কার্ড দিয়ে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে

অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড বা NID Card Download এর এই আর্টকেলে আপনি খুব মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনি নিজেই অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। অনলাইন থেকে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। 

অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করার নিয়ম নিয়ে প্রতিটি ধাপ খুব যত্নসহকারে আমরা আপনার সামনে উপস্থাপন করছি যাতে আপনি খুব সহজেই কাজটি করতে পারেন। এই কাজটি মূলত আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক এবং প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের জন্য বিভিন্ন পোস্টের মধ্যে এই পোস্টটি অন্যতম। আপনি জেনে অবাক হবেন কারণ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ই-সার্ভিসের মধ্যে প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি পরিচয় পত্র রয়েছে যা সরকার শুধুমাত্র জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিকদের বিনামূল্যে দিয়ে থাকে। আপনার হাতের কাছের মোবাইলটি ব্যবহার করে আপনি কিভাবে অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড (NID Card Download) করতে পারবেন খুব সহজেই। এই ধাপ গুলো নিচে বর্ণনা করা হলোঃ 

ধাপ-১ঃ প্রয়োজনীয় অ্যাপ ইনস্টলেশন – জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড বা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড বা NID Card Download

আপনার হাতের মোবাইলটা যদি Android OS মোবাইল হয়ে থাকে তাহলে আপনি আপনার হাতের মোবাইলটা দিয়েই কাজ হয়ে যাবে। কারণ, আপনাকে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড বা NID BD Card download করার জন্য আপনাকে গুগল প্লে-স্টোর থেকে NID Wallet নামে একটা অ্যাপ ইন্সটল করতে হবে। তাই অন্য অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা মোবাইল দিয়ে আপনি কাজটি করতে পারবেন না কারণ বাংলাদেশ সরকার এখনো আইওএস এর জন্য কোনো অ্যাপ প্রকাশিত করেনি। 

ধরে নিচ্ছি আপনার হাতের কাছের মোবাইল ফোনটি Android OS দ্বারা চালিত। আপনার হাতের কাছের মোবাইলটি নিয়ে গুগল প্লেস্টোর অ্যাপটি চালু করে NID Wallet অ্যাপটি ইন্সটল করতে হবে। যদি আপনার ফোনে জায়গা না থাকে তাহলে জায়গা ফাঁকা করে অ্যাপটি ইন্সটল করুন। ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করতে আপনাকে আরেকটা অ্যাপ ইন্সটল করতে হবে। প্রায় প্রতিটি ফোনেই এই অ্যাপটি থাকে। Google Chrome নামে এই অ্যাপটি প্রায় প্রতিটি মোবাইলে থাকে যদি না থাকে আপনি Google Play Store  থেকে অ্যাপটি ইন্সটল করে নিন। নিচে বিভিন্ন পিকচারের মাধ্যমে দেখিয়ে দেওয়া হলো কিভাবে আপনি এই অ্যাপ গুলো ইন্সটল করবেন।

nid card download
NID Wallet

আপনার মোবাইলে অবশ্যই যে অ্যাপগুলো থাকা দরকার সেগুলো হলো-

  • যেকোনো একটা ব্রাউজার ( যেমনঃ Google Chrome)
  • NID Wallet (Download from Google Play Store)

ধাপ-২ঃ জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করতে প্রয়োজনীয় একাউন্ট তৈরি

জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড বা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড বা NID Card Download করার জন্য আপনাকে অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্রের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে। আপনি এই একাউন্ট ছাড়া আপনার NID card download করতে পারবেন না। চলুন আপনাকে দেখিয়ে দেই আপনি কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি।

১. জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড বা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড বা NID Card Download করার নিয়ম এর ২য় পর্যায়ে আপনাকে অবশ্যই একাউন্ট রেজিস্টার করতে হবে। এর জন্য আপনার Android OS চালিত মোবাইল থেকে Google Chrome চালু করে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে সার্চ অপশনে nid gov bd লিখে সার্চ করবেন। Google search Engine এ সার্চ করার পর আপনার মোবাইলে স্ক্রিনে অনেকগুলো ওয়েবসাইটের লিংক চলে আসবে। এগুলোর মধ্যে থেকে সবার উপরের services.nidw.gov.bd এই লিংকে ওপর ক্লিক করবেন। এই লিংকে গিয়ে আপনাকে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে যাতে করে আপনি আপনার বা আপনার পরিচিত কারোর nid card download করতে পারেন।

nid card download

২. ২য় ধাপের এই পর্যায়ে উপরে দেখানো লিংকে প্রবেশ করার পর আপনি একটি ওয়েবপেজ পাবেন যেখানে আপনি রেজিস্ট্রেশন নামে একটি অপশন দেখবেন। যদি আপনার আগে কোনো একাউন্ট থাকে তাহলে ঐ একাউন্টের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিং করতে পারবেন। আর যদি না থাকে তাহলে আমাদের দেখানো ইনস্ট্রাকশন অনুসরণ করতে থাকুন। আপনি যেহেতু এই পোস্টটি পড়তেছেন তাহলে অবশ্যই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড বা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড বা NID Card Download করার জন্য কোনো একাউন্ট নেই। তাই আপনি একাউন্ট তৈরি করার জন্য একাউন্ট রেজিস্টার অপশনে ক্লিক করবেন।

এই ওয়েবসাইটে একাউন্ট করার জন্য আপনাকে অবশ্যই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার বা ভোটার আইডি কার্ডটি লাগবে। আপনার ভোটার আইডি কার্ড থেকে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার উক্ত ভোটার আইডি কার্ডের ফিল্ডে বসাতে হবে। তারপর আপনার জন্ম তারিখ মাস এবং বছর উক্ত ওয়েবসাইটে জন্ম তারিখ ফিল্ডে বসানোর পর নিচে একটি জল ছাপ দিয়ে আপছা একটি ক্যাপচা কোড ভালো করে বসিয়ে দেওয়ার পর সাবমিট করতে হবে।

 

nid card download

৩. ২য় ধাপের এই পর্যায়ে আপনার সামনে একটা ওয়েবপেজ আসবে যেখানে আপনাকে আপনার বর্তমান ঠিকানা ও স্থানী ঠিকানা নামক ফিল্ড রয়েছে। এই ফিল্ড গুলোতে আপনার স্থানী ও বর্তমান ঠিকানার বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ডের নাম বসাতে হবে। সবকিছু ভালো করে বসিয়ে আপনাকে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে

. ২য় ধাপের এই পর্যায়ে যখন আপনি সাবমিট বাটনে ক্লিক করার পর আপনি দুটো অপশন দেখবেন। একটি অপশন হলো যেখানে আপনি যে মোবাইল দিয়ে এপ্লাই করেছেন সেই নম্বরের কিছু ডিজিট পাবেন অপরটি হলো মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন বিষয়ক একটি অপশন। এই অপশনে ক্লিক করলে আপনি এই নাম্বারটি পরিবর্তন করতে পারবেন। যদি আপনার এপ্লাই করা নাম্বারটি থাকে তাহলে আপনি OTP কোডের জন্য ক্লিক করতে হবে। অথবা নাম্বার পরিবর্তন করতে হবে।

যদি আপনি আপনার যে মোবাইল নাম্বারটা দিয়ে এপ্লিকেশন করা আছে সেই নাম্বারটিতে OTP আনতে চান তাহলে বার্তা পাঠান এ ক্লিক করতে হবে। তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আপনার মোবাইলে একটা OTP আসবে। এই OTP কোডটি ওই ফিল্ডে বসিয়ে দিলেই কাজ হয়ে যাবে।

৫. জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড বা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড বা NID Card Download করার জন্য OTP কোড যাচাই শেষে আপনার একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে। এরপর আপনাকে এনআইডি ডাউনলোড করতে হবে। যদি উপরের ধাপগুলি অনুসরণ করে আপনার জন্য একটি একাউন্ট রেজিস্টার করা সম্পন্ন হয়। তাহলে TAP TO OPEN NID WALLET নামে একটি অপশন আসবে যেখানে ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর আপনার মোবাইলে যে NID Wallet অ্যাপটি ইন্সটল করেছেন সেই অ্যাপটির সাহায্যে নিয়ে ভেরিফাই ক্লিয়ার করতে হবে। ভেরিফাই ক্লিয়ার করার জন্য আপনার ফেস স্ক্যান করার একটি অপশন দেখবেন যেখানে আপনার ফেস স্ক্যান করতে হবে। তার জন্য START FACE SCAN এ ক্লিক করতে হবে।

৬. ফেস স্ক্যান করা শেষ হলে আপনার সামনে ডাউনলোড নামে একটি অপশন আসবে। এই জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড বা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড বা NID Card Download অপশনটি ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড বা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড বা NID Card Download করে নিতে পারবেন। আপনার ডাউনলোড শেষ হলে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র টি যেকোনো জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন।

সার-সংক্ষেপঃ জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড বা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড বা NID Card Download করার নিয়ম হলো আপনাকে NID Wallet নামে অ্যাপটি আপনার মোবাইলে ইন্সটল করতে হবে। তারপর আপনাকে NID GOV BD ওয়েবসাইটে একটি একাউন্ট তৈরি করতে হবে। তারপর আপনাকে আপনার মুখের ফেস স্ক্যান করে আপনাকে অনলাইন থেকে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের বা NID card এর অনলাইন PDF কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।

See also  বাহরাইন ভিসা চেক করার সব থেকে সহজ নিয়ম ২০২৩।

অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড বা NID Card Download এর এই নিয়মটি খুবই সহজ এবং সবচেয়ে কম সময়ে ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোড করার পর এটি যে কোন দোকানে প্রিন্ট করে নিতে পারেন। যদি আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড NID Card Download করার নিয়ম অনুসরণ করেন তাহলে খুব সহজে এবং খুব তাড়াতাড়ি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। অনুচ্ছেদটি ভালো লাগলে সবার সাথে শেয়ার করবেন।

প্রশ্নউত্তর পর্ব

জাতীয় পরিচয় পত্র কি?

জাতীয় পরিচয় পত্র হলো প্রতিটি বাংলাদেশী নাগরিকদের পরিচয় পত্র যা দিয়ে একজন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক কিনা তা নির্ধারণ করা যায়। জাতীয় পরিচয় পত্র সংক্ষেপে এনআইডি কার্ড বলা হয়। এই পত্রটি এনআইডি কার্ড নামে বহুল পরিচিত। কেউ কেউ এই পত্রকে ভোটার আইডি কার্ড বলে থাকে। জাতীয় পরিচয়পত্র হচ্ছে বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য একটি বাধ্যতামূলক নথি, যা ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের ব্যক্তিরা হালনাগাত করতে পারে। একজন নাগরিকের সকল তথ্য নথিভুক্ত করণ ও আইডি কার্ড সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হল বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার কিভাবে দেখবো?

জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার হচ্ছে একটা ইউনিক নাম্বার যার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিককে আলাদা বা চেনা যায়। আপনি দুইভাবে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার দেখতে পাবেন। যথাঃ একটি মোবাইল SMS এর মাধ্যমে এবং অপরটি আপনি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেখতে পাবেন। মোবাইল দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার দেখার জন্য মেসেজ টাইপ করুন NID<space>FORM NO<space>DD-MM-YYYY পাঠিয়ে দিন 105 নম্বরে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ফিরতি এসএমএসে আপনি পেয়ে যাবেন আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর।

মোবাইল দিয়ে এস.এম.এস এর মাধ্যমে কিভাবে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার দেখবো?

মোবাইল দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার দেখার জন্য মেসেজ টাইপ করুন NID<Space>FORM NO<Space>DD-MM-YYYY পাঠিয়ে দিন 105 নম্বরে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ফিরতি এসএমএসে আপনি পেয়ে যাবেন আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর।

কিভাবে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করবো?

জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার বের করার জন্য আপনি দুইভাবে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার দেখতে পাবেন। একটি হলো মোবাইল SMS এর মাধ্যমে এবং অপরটি আপনি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। মোবাইল দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার দেখার জন্য মেসেজ টাইপ করুন NID <Space>FORM NO <Space> DD-MM-YYYY পাঠিয়ে দিন 105 নম্বরে।

এন আইডি মানে কি?

NID এর পূর্নরুপ হলো National Identity Card (জাতীয় পরিচয় পত্র)। জাতীয় পরিচয়পত্র হচ্ছে বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য একটি বাধ্যতামূলক নথি, যা ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের ব্যক্তিরা হালনাগাত করতে পারে।

জাতীয় পরিচয় পত্র কত সালে শুরু হয়?

বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয় পত্র শুরু হয় ২০০৮ সাল থেকে। বাংলাদেশে প্রতিটি নাগরিকের জন্য জাতীয় পরিচয় পত্র হালনাগাত করা বাধ্যগতামূলক।

পাস না করা সত্ত্বেও এস.এস.সি পাশ দিয়েছিলাম এখন আমার বয়স বা অন্যান্য তথ্যাদি সংশোধনের উপায় কি?

আপনি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে।

একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে কিভাবে তা সংশোধন করা যায়?

সকলের কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।

আমি পাশ না করেও অজ্ঞতাবশতঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলাম এখন আমার বয়স বা অন্যান্য তথ্যাদি সংশোধনের উপায় কি?

আপনি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে। এর জন্য আপনার অর্থদন্ড বা জেলজরিমানা হতে পারে।

আমার আইডি কার্ড এর ছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দরকার?

আপনা যদি আপনার ছবি অস্ফষ্ট আসে এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?

এই জন্য আপনাকে এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সনদ, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?

নিজের নাম ভুল হলে তা আপনার এসএসসি/সমমান সনদ অনুযায়ী পরিবর্তন করা হবে। বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি, ওয়ারিশ সনদ, ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কি কি সনদ দাখিল করতে হয়?

আপনার পিতার মৃত্যু হলে আপনি যদি আপনার পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত্যু সনদ দাখিল করতে হব।

ভোটার আইডি কার্ডে কিভাবে ঠিকানা সংশোধন করা যায়?

আপনি যদি আপনার এলাকা বা ঠিকানা পরিবর্তন করতে চান, তাহলে আপনাকে শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফর্মে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।

আমি বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্ক ভাতা বা অন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজন। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ার ফলে কোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছি না। লোকে বলে আইডি কার্ড –এ বয়সটা বাড়ালে ঐ সকল ভাতা পাওয়া যাবে?

না। আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডে কোনো পরিবর্তন করতে পারবেন না । প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে কিভাবে তা সংশোধন করা যায়?

এটা একটা অনেক বড় সমস্যা। আপনাকে অবশ্যই তা সংশোধন করে নিতে হবে। কেননা, আপনার ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপে এই জাতীয় পরিচয় পত্রটি দরকার পরবে। এর জন্য আপনাকে আপনার পরিবারের সকলের কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।

নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?

আপনি যদি আপনার নিজের নাম, পিতার নাম এবং মাতার নাম সংশোধন করতে চান তাহলে আপনাকে আপনার এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সনদ, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

আমার আইডি কার্ড এর ছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দরকার?

হুম, আপনি অবশ্যই তা পারবেন। কেননা যখন আপনার বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি তখন আপনার চেহেরা আর বর্তমানের চেহেরা মিল না থাকলে আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন । প্রতিটি পরিবর্তনের জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হবে। এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

আমি আমার পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কিভাবে করতে পারি?

আপনি যদি আপনার পেশা পরিবর্তন করতে চান তাহলে আপনাকে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।

বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কিভাবে সংযুক্ত করতে পারি?

হ্যাঁ অবশ্যই পারবেন। এর জন্য আপনাকে প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এখন আইডি কার্ড থেকে স্বামীর নাম বিভাবে বাদ দিতে হবে?

যদি কোনো কারনে কারোর বিবাহ বিচ্ছেদ যায় এবং আপনার ভোটার আইডি কার্ডে আপনার ডিভোর্সের স্বামীর নাম উল্লেখ্য আছে। তাহলে তা সংশোধের জন্য আপনাকে বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি?

আপনি যদি বিয়র পর আপনার স্বামীর নাম আপনার ভোটার আইডি কার্ডে যুক্ত করতে চান তাহলে নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।

আমি অবিবাহিত। আমার কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে। কিভাবে তা সংশোধন করা যাবে?

হ্যাঁ। আপনি সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।

ভুলক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কি কি সনদ দাখিল করতে হবে?

আপনার ভোটার আইডি কার্ডে আপনার জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে কিন্তু আপনার পিতা/স্বামী/মাতা এখনো জীবিত আছে। তাহলে আপনি এটা সংশোধন করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ডে কোন সংশোধন করা হলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?

 অবশ্যই। আপনি যা কিছু সংশোধন করবেন সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য কিভাবে সংশোধন করা যায়?

আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। এর জন্য আপনাকে সংশোধনের পক্ষে উপযুক্ত দলিলাদি / প্রমাণাদি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করে জমা দিতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?

জাতীয় পরিচয়পত্রে প্রদর্শিত নয় এমন তথ্য অনলাইন থেকে সংশোধন করতে পারবেন।

হারিয়ে যাওয়া ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?

আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র যদি হারিয়ে যায় তাহলে প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?

না । কারন, হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। প্রথমে আপনাকে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।

হারানো ভোটার আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?

হ্যাঁ ফি দিতে হয়। আপনার ভোটার আইডি কার্ড রিইস্যু করার জন্য অবশ্যই ফি প্রদান করতে হবে। আপনার আবেদনের ফি জানতে এখানে ক্লিক করুন।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?

আপনার যদি ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে যায় তাহলে আপনি অনলাইনে পুনরায় মুদ্রণের (রিইস্যু) জন্য আবেদন করতে হবে। আবেদন অনুমোদিত হওয়ার পর আপনার মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর অনলাইন থেকে আপনার এনআইডি কার্ড এর কপি ডাউনলোড করে নিন। বিস্তারিত

আমি যথা সময়ে ভোটার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে পারিনি। এখন কি করা যাবে?

হ্যাঁ। যেহেতু জাতীয় পরিচয় পত্র রেজিষ্ট্রেশন একটি চলমান প্রক্রিয়া তাই আপনি যে কোন সময়ে রেজিস্ট্রেশনের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আপনি যদি অনলাইনে কিভাবে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয় তার বিস্তারিত অনুচ্ছেদ দেখতে চান তাহলে আপনি এই পোস্টি পড়তে পারেন।

আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করতে পারিনি, এখন কিভাবে করতে পারবো?

যেহেতু জাতীয় পরিচয় পত্র রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়াটি একটি অনলাইন ভিত্তিক তাই আপনি যে কোন সময়ে রেজিস্ট্রেশনের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

আমি ২০০৭/২০০৮ অথবা ২০০৯/২০১০ সালে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছি কিন্তু সেই সময় আইডি কার্ড গ্রহণ করিনি। এখন কিভাবে আইডি কার্ড পেতে পারি?

হুম অবশ্যই পেতে পারেন । এর জন্য আপনাকে উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে আপনার কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। যদি সেখানেও না পাওয়া যায় তাহলে অনলাইনে রিইস্যু করার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন অনুমোদিত হওয়ার পর আপনার মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর অনলাইন থেকে আপনার এনআইডি কার্ড এর কপি ডাউনলোড করে নিন।

ভোটার তালিকার নামের সাথে বিভিন্ন খেতাব, পেশা, ধর্মীয় উপাধি, পদবী ইত্যাদি যুক্ত করা যাবে কিনা?

না। ভোটার তালিকার ডাটাবেজে শুধুমাত্র নাম সংযুক্ত করা হয়, কোন উপাধি বা অর্জিত পদবী তাতে সংযুক্ত করার অবকাশ নাই।

কোথা হতে আইডি কার্ড সংগ্রহ করা যাবে?

আপনি যদি চান অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। যদি আপনি অনলাইনে না করে থাকেন তাহলে যে এলাকায় ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে আইডি কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।

আমি বিদেশে চলে যাব। আমার কার্ড কি অন্য কেউ উত্তোলন করতে পারবে?

 হ্যাঁ । আপনি পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে আপনার ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

কার্ডে ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দিলে কি হবে?

আপনি যদি জাতীয় পরিচয় কার্ডে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করেন তাহলে আপনার জেল বা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ১৩ আবার কারো ১৭ কেন?

এতে কোন সমস্যা নেই কারন ২০০৮ এর পরে যত আইডি কার্ড প্রিন্ট করা হচ্ছে বা পুণঃ তৈরি হচ্ছে সে সকল কার্ডের নম্বর ১৭ ডিজিট হয়ে থাকে।

বিভিন্ন দলিলে আমার বিভিন্ন বয়স/নাম আছে। কোনটা ভোটার রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?

আপনি যদি একজন ছাত্র হয়ে থাকেন তাহলে এসএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষার সনদে উল্লেখিত বয়স ও নাম ব্যবহার করা উচিত হবে। ভবিষ্যতে ৫ম/৮ম সমাপনী পরীক্ষার সনদ ও গ্রহণযোগ্য হবে। লেখাপড়া না জানা থাকলে জন্ম সনদ,পাসপোর্ট,ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে ও আবেদন করা যাবে।

আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে কি ডুপ্লিকেট এন্ট্রি শনাক্ত করা সম্ভব?

হ্যাঁ, শনাক্ত করা সম্ভব। বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোটার আইডি কার্ড রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি নাগরিকের আঙ্গুলের ছাপ বাংলাদেশ সরকারের কেন্দ্রীয় সার্ভারে জমা থাকে। তাই আপনি যদি আপনার জন্য ডুপ্লিকেট কপি তৈরি করেন তাহলে তা চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

এক ব্যক্তির পক্ষে কি একাধিক নামে ও বয়সে একাধিক কার্ড পাওয়া সম্ভব?

অবশ্যই না। একজন ব্যক্তি কেবল একটি মাত্র ভোটার আইডি কার্ড করতে পারবেন। তথ্য গোপন করে যদি কোনো ব্যক্তি একাধিক স্থানে ভোটার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি ধরা পড়ে যাবেন কারণ কেন্দ্রীয় সার্ভারে প্রতিটি নাগরিকের আঙুলের ছাপ রয়েছে। যদি পরবর্তীতে আপনি ধরা পড়েন তাহলে আপনার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

নতুন ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে কি কি কাগজ পত্রাদি প্রয়োজন?

নতুন ভোটার হবার জন্য আপনাকে আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ, এস.এস.সি বা সমমানের পরীক্ষা পাসের সনদ (যদি থাকে), আপনার ঠিকানা প্রমাণের জন্য কোন ইউটিলিটি বিলের কপি যেমনঃ বিদ্যুৎ বিল, নাগরিক সনদ পত্র, মা ও বাবার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি অথবা আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন তাহলে স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, টিআইএন (TIN) নম্বর (যদি থাকে)।

আমি খুব দরিদ্র ও বয়স ১৮ বছরের কম। ১৮ বছরের উপরে বয়স দেখিয়ে একটি আইডি কার্ড পেলে গার্মেন্টেস ফ্যাক্টরিতে বা অন্য কোথাও চাকুরী পেতে পারি। মানবিক কারণে এই পরিস্থিতি বিবেচনা করা যায় কি?

না। এই প্রশ্নের সোজাসাপটা উত্তর হলো আপনি কোনো সময়ের জন্য আপনার বয়স বৃদ্ধি বা কমানোর কোনো সুযোগ নেই। ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। মানবিক বিবেচনার কোন সুযোগ নেই। যদি আপনি তা পরিবর্তন করতে চান তাহলে পরবর্তীতে আপনার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হতে পারে।

আমি ভুলে দু’বার রেজিস্ট্রেশন করে ফেলেছি এখন কি করবো?

যদি আপনি দুইবার ভোটার আইডি কার্ড রেজিষ্ট্রেশন করে থাকেন তাহলে আপনি যত দ্রুত সম্ভব বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসে লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা জানান। যেহেতু বর্তমানে Finger Print Matching কার্যক্রম চলছে। অচিরেই সকল Duplicate Entry সনাক্ত করা হবে। উল্লেখ্য, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই শাস্তি অনেক গুরুতর হতে পারে।

আইডি কার্ড আছে কিন্তু ২০০৮ এর সংসদ নির্বাচনের সময় ভোটার তালিকায় নাম ছিল না। এরূপ সমস্যা সমাধানের উপায় কি?

যদিও অনেক প্রকারের উত্তর হতে পারে এই প্রশ্নের। সবচেয়ে ভালো হয় আপনি অবিলম্বে এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন কার্যালয় অফিসে যোগাযোগ করুন।

একজনের কার্ড অন্যজন সংগ্রহ করতে পারবে কিনা?

আপনি যদি অনুমতি দেন যে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রটি অন্যজন সংগ্রহ করুক। তাহলে আপনি তা দিতে পারবেন। তাছাড়া এখন সবকিছু অনলাইন ভিত্তিক হয়ে যাওয়ার ফলে আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

আপনারা বিভিন্ন ফর্মের কথা বলেছেন? এগুলো কোথায় পাওয়া যাবে?

যেহেতু জাতীয় পরিচয় পত্রের সকল প্রকারের কাজের জন্য অনলাইন ভিত্তিক হয়ে গেছে, তাই আপনি আপনার প্রয়োজনীয় সে ফাইলটি যে ক্যাটাগরিতে আবেদন করছেন সে অনুযায়ী আপনার ফরমটি তৈরি হবে। যা আপনি আবেদনের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফরম অনলাইন থেকেই সংগ্রহ করতে পারবেন।

এই সমস্ত ফর্মের জন্য কোন মূল্য পরিশোধ করতে হয় কি না?

না। জাতীয় পরিচয় পত্রের আবেদন করার জন্য কোনো ফর্মের ফি দিতে হবে না। আপনি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে এই ফরমের ফাইলটি পিডিএফ ফরম্যাটে ডাউনলোড করতে পারবেন।

About nidgov

আমি গত ৫ বছর থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কাজ করেছি। আমি আমার স্নাতক শেষ করেছি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। আমার বিষয় ছিলো কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং (ইঞ্জি.)।

View all posts by nidgov →