২০২৩ সালের মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা।জানুন মাল্টা যাওয়ার খরচ।

২০২৩ সালের মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা।জানুন মাল্টা যাওয়ার খরচ সম্পর্কে।

আপনি কি মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে চান?মাল্টা যেতে কত টাকা খরচ হয় তা জানতে চান?তাহলে আজকের পোষ্টে থাকচ্ছে এর বিস্তারিত।

মাল্টা ইউরোপের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই দেশটি ইউরোপের অন্যতম ধনী দেশ।উন্নত অর্থনীতি,শক্তিশালী কাঠামো,প্রযুক্তি দেশটিকে অনেক উপরে নিয়ে গেছে।

উন্নত এই দেশটি ২০১৪ সালে বাংলাদেশের মানুষদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসার অনুমোদন দেয়।এছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে তাদের এম্বাসি করার কারনে খুব সহজেই ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়া যায়।তো চলুন আজকের আয়োজনে মাল্টা ভিসা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা যাকঃ

আপনার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু পোষ্টঃ

দুবাই ভিসা চেক করুন পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে ২০২৩।

ইতালি ভিসা চেক করার সব থেকে সহজ নিয়ম ২০২৩।

লিথুনিয়ার কাজের ভিসার আবেদন ২০২৩।

ওয়ার্ক পারমিট ভিসা মাল্টা

মাল্টা ভিসা পাওয়ার জন্য প্রথমে নিয়োগকর্তার কাছে আবেদন করতে হয়।নিয়োগকর্তার বরাবর করা আপনার আবেদন যদি গ্রহণযোগ্য হয় উক্ত প্রতিষ্ঠানের কাজের সনদ দিবে।প্রতিষ্ঠানের সনদ পাওয়ার পর ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আপনার নিয়োগকর্তার অনুমোদনের পরই আপনার কাঙ্খিত ওয়ার্ক পারমিট পাবেন।আপনার ওয়ার্ক পারমিট যেই নিয়োগকর্তার অধীনে ইস্যু হবে পরবর্তীতে মাল্টা গিয়ে সেই নিয়োগকর্তার অধীনে ছাড়া অন্য কোথাও চাকরি করতে পারবেন।

এখন জেনে নেই মাল্টা ওয়ার্ক ভিসার আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে।

মাল্টা ওয়ার্ক ভিসার জন্য মূলত ৩ ভাবে আবেদন করা যায়।যেমন,সরকারি,বেসরকারি এজেন্সি ও মাল্টায় বসবাসকারী আত্মীয়র রেফারেন্সে।

আপনি যদি এজেন্সির মাধ্যমে মাল্টায় যেতে চান তাহলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নিকটস্থ এজেন্সিতে যান।তারাই আপনার সকল কিছু করে দিবে।তবে এজেন্সির মাধ্যমে মাল্টা যেতে খরচ বেশি লাগে।

See also  দুবাই ভিসা চেক করুন পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে ২০২৩।

আর আপনি যদি সরকারিভাবে ভিসার জন্য আবেদন করতে চান তাহলে VFS Global এর কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে।VFS Global এই সাইটে গিয়ে Appointment বুক করে অনলাইনের মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

আপনার আবেদন করা হলে আবেদনের একটি অনলাইন কপি ডাউনলোড করে নিবেন।এছাড়াও আরোও যা লাগবে,

  • জাতীয় পরিচয়পত্র।
  • ছবি।
  • পাসপোর্ট।
  • আবেদনের প্রিন্ট কপি সহ আরো গুরুত্বপূর্ণ কাগজগুলো VFS এর গ্লোবালে জমা দিন।

VFS Global আবেদন করার পর ইমেইল ও ফোনের মাধ্যমে আপনাকে একটি ট্রাকিং কোড দিবে।আপনি সেই ট্রাকিং কোড দিয়ে পরবর্তীতে আপনার ভিসার স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন।

মাল্টা যেতে যে ডকুমেন্টসগুলো লাগবে

সরকারি ভাবে বা এজেন্সি ভাবে অনলাইনে মাল্টা ভিসার জন্য প্রথমে নিয়োগকারী কর্মকর্তার অনুমোদন নিতে হয়।প্রয়োজনীয় সকল তথ্য দিয়ে মাল্টা ভিসার জন্য CV আবেদন করতে হয়।নিচে কিছু ডকুমেন্টস দেওয়া হলো যেগুলো মাল্টা ভিসা আবেদনে জন্য লাগবেঃ

  • সর্বনিম্ন ৬ মাস মেয়াদি একটি পাসপোর্ট লাগবে।কোনো মতেই ৬ মাসের নিচে এমন পাসপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না।
  • NID কার্ডের ফটোকপি।
  • সদ্য তোলা রঙ্গিন ছবি।
  • ওয়ার্ক পারমিটের জন্য যেই কাজের জন্য যাবেন সেই যোগ্যতা।
  • আবেদনকারীর মেডিকেল রিপোর্ট।
  • বিএমটি রেজিষ্ট্রেশন।
  • নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের জব অফার।
  • কারো রেফারেন্সে গেলে সেই রেফারেন্স লেটার।
  • প্রশাসনিক ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
  • ৬ মাস মেয়াদি একটি ব্যাংক স্ট্যাটম্যান্ট।

ভিসা আবেদন করার নিয়ম

অনলাইনে VFS Global এর ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন।

বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন।

রেফারেন্স ভিসা।

জানুন মাল্টা যেতে কত টাকা লাগে

আপনি যদি সরকারি ভাবে মাল্টা যেতে চান তাহলে সকল খরচ মিলে ৩-৪ লাখ টাকা লাগবে।কিন্তু আপনি যদি বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে মাল্টায় যান তাহলে খরচ অনেক বেশি লাগবে।বেসরকারি ভাবে বাংলাদেশ থেকে মাল্টায় যেতে ৮-১০ লাখ টাকা লাগবে।তবে আত্মীয়র মাধ্যমে গেলে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা লাগতে পারে।

See also  পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে চেক করুন সৌদি আরবের ভিসা। জেনেনিন সহজ নিয়ম

শেষ কথা

২০২৩ সালের মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করলাম।ইউরোপের অন্যতম উন্নত এই দেশটির ভিসা পাওয়া একদমই সহজ।আর বর্তমানে যেহেতু মাল্টা বাংলাদেশ দূতাবাস খুলেছে এই পথ আরোও সহজ হয়ে গেছে।এখন খুব সহজেই যে কেউ মাল্টা জব ভিসা জন্য আবেদন করতে পারবেন।